চুয়াডাঙ্গায় ৩ কোটি ১৮ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি

Sadek Ali
সালাউদ্দীন কাজল, জীবননগর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২:৫৬ অপরাহ্ন, ০৬ মে ২০২৬ | আপডেট: ৯:০২ অপরাহ্ন, ০৬ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অভিযানে বিভিন্ন সময়ে আটক ৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় বিজিবির চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের সদর দফতরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১০ হাজার ৬১৭ বোতল ফেনসিডিল, ১.৮৫৭ কেজি হেরোইন, ২৩৮.৭৯ কেজি গাঁজাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান।

তিনি বলেন, মাদক একটি বহুমাত্রিক ও জটিল সামাজিক সমস্যা। এ সমস্যা মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ মাদকমুক্ত দেশ গঠনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে বিজিবির প্রতিটি সদস্য সীমান্তে দিন-রাত নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরও পড়ুন: বগুড়ায় ছিনতাই চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার, ৪টি অটো-ইজিবাইক উদ্ধার

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিবি কুষ্টিয়া সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান, চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তফা কামাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের, সিভিল সার্জন হাদি জিয়া উদ্দীনসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, ২০২৪ সালের ০১ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে উদ্ধার হওয়া মালিকবিহীন মাদকদ্রব্যগুলো নষ্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩৯৮৩ বোতল বিদেশি মদ, ১০৬১৭ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ২৯ বোতল ভারতীয় বিয়ার, ২৩৮.৭৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ১.৮৫৭ কেজি হেরোইন, ১.৮৯ কেজি কোকেন, ২৫৪৮৫ পিস ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার নেশা জাতীয় ট্যাবলেট (ভায়াগ্রা/সেনেগ্রা/ট্যাপেন্টাডল) এবং ১৯ পিস ভারতীয় নেশা জাতীয় ইনজেকশন। এসব মাদকের আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ১৮ লাখ ৭৬ হাজার ৬৬৫ টাকা।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বোরো বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের মুখে: এক মণ ধানের দামেও মিলছে না শ্রমিক