শিক্ষার প্রতিটি স্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে: সেভ দ্য উম্মাহ বাংলাদেশ

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:২৩ পূর্বাহ্ন, ০৩ মে ২০২৬ | আপডেট: ৮:২৩ অপরাহ্ন, ০৩ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বর্তমান প্রজন্ম নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও আত্মিক শিক্ষার ক্ষেত্রে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। একটি সুস্থ, সচেতন ও দায়িত্বশীল সমাজ গঠনের জন্য শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান যথেষ্ট নয়; বরং এর সঙ্গে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বয় অপরিহার্য।

শনিবার (২ মে) বিকালে রাজধানীর তোপখানাস্থ শিশু কল্যাণ পরিষদের কনফারেন্স হলে আয়োজিত শিক্ষা প্রতিটি স্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: হঠাৎ বৃষ্টিতে নাজেহাল নগরের জনজীবন

সেভ দ্য উম্মাহ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও আরজাবাদ মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা বাহাউদদীন যাকারিয়ার সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী জেনারেল হাফেজ মাওলানা মাসরুর আহমদের পরিচালনায় এই গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী পীর সাহেব দেওনা, মাওলানা ড. শুয়াইব আহমদ, মাওলানা মুস্তাকীম বিল্লাহ হামিদী,রেজাউল করিম রনি, মুফতি সালমান আহমদ, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল ফারুক, মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, মুফতি তানজিল আমির, মুফতি সাইফুদ্দীন ইউসুফ, মুফতি মামুন আব্দুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা আবদুল্লাহ আল মাস‌উদ খান, মুফতি আফজাল হোসাইন,ও মাওলানা আহমদ মুসা প্রমুখ।

আরও পড়ুন: এবার ঢাবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নামে ঝটিকা মিছিল

পীর সাহেব দেওনা বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে—প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত—ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হোক। ধর্মীয় শিক্ষা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, সহনশীলতা, মানবিকতা এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি দায়বদ্ধতার বোধ জাগ্রত করে, যা একটি আদর্শ নাগরিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

পীর সাহেব দেওনা আরো বলেন,কওমি শিক্ষা ব্যবস্থার স্বকীয়তা ও মর্যাদা রক্ষা করতে এবং শিক্ষার সর্বস্তরে ইসলামী শিক্ষার প্রসারের স্বার্থে সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে হবে।কেননা সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদে প্রকৃতপক্ষে একমুখী সেক্যুলার শিক্ষার বিষয়ে বর্ণিত থাকার কারণে প্রতিটি শিক্ষা কমিশন ও শিক্ষা নীতিতে সেক্যুলার শিক্ষার বিষয়টি বার বার প্রতিফলিত হয়ে আসছে।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা বাহাউদদীন যাকারিয়া বলেন,ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম মাদক, অপরাধ ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে দূরে থাকবে এবং দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বক্তারা শিক্ষানীতিতে যথাযথ পরিবর্তন এনে প্রতিটি শিক্ষাস্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে এবং এর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।