ধামরাইয়ে বাস-কাভার্ড ভ্যান সংঘর্ষে নিহত ১
ঢাকার ধামরাইয়ে একেএইচ ইকো অ্যাপারেলস লিমিটেডের শ্রমিকবাহী বাসের সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে আবু বক্কর সিদ্দিক নামে এক কাভার্ড ভ্যানচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার শ্রীরামপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আবু বক্কর সিদ্দিক নেত্রকোনা সদর উপজেলার বদনী গ্রামের নুর আলমের ছেলে।
আরও পড়ুন: উত্তরা ফ্লাইওভারে মুমূর্ষু অবস্থায় ৯ মাসের শিশু উদ্ধার, চিকিৎসার ব্যবস্থা পুলিশের
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, একেএইচ ইকো পোশাক কারখানার শ্রমিকবাহী বাসটি দ্রুতগতিতে ঢাকা অভিমুখে কালামপুরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় আরিচাগামী মালবাহী কাভার ভ্যানের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে কাভার ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক নিহত হন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কারখানার শ্রমিকবাহী বাসগুলো প্রায়ই দ্রুতগতিতে চলাচল করে। এ কারণে ব্যস্ত সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাদের প্রশ্ন, শ্রমিক পরিবহনের বাসের গতি নিয়ন্ত্রণ ও চালকদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে কারখানা কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিচ্ছে?
আরও পড়ুন: উচ্ছেদ করা মাদকের আড্ডার জায়গায় এক মাসের মধ্যে হবে খেলার মাঠ
দুর্ঘটনার পর একেএইচ ইকোর যানবাহনের দায়িত্বে থাকা জাকির হোসেনের কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি কোনো ব্যাখ্যা দেননি। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শী রয়েছে, তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি যাচাই করতে হবে। তিনি আরও জানান, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না এবং বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ওসিকে জানিয়েছেন।
তবে দুর্ঘটনায় কারখানার বাসের গতি, চালকের ভূমিকা বা প্রতিষ্ঠানের দায় নিয়ে তিনি কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেননি। বরং সাংবাদিককে ঘটনাটি তদন্ত করে দেখার পরামর্শ দেন তিনি।
ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আল আমিন বলেন, “আমরা ঘটনাস্থলে শুধু নিহত ব্যক্তিকেই পেয়েছি। আহতদের স্থানীয় লোকজন হাসপাতালে নিয়ে গেছেন বলে জানতে পেরেছি। তবে আহতদের বিষয়ে সঠিক তথ্য আমাদের কাছে নেই।”
গোলড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) সেলিম মাতুব্বার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে এবং এতে একেএইচ ইকোর গাড়ির কোনো গাফিলতি বা দায় রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে দায়িত্বে অবহেলা বা আইনভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





