শিক্ষার্থীদের চাকরির তথ্যের ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ ইবি উপাচার্যের

Shahrier Islam Pallab
ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৩:০৮ অপরাহ্ন, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৫:১২ অপরাহ্ন, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থেকে প্রতিবছর কতসংখ্যক শিক্ষার্থী সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাচ্ছেন, তা নির্ণয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘Industry-Academia Collaboration: Islamic University Bangladesh Perspective’ শীর্ষক কর্মশালায় এই উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স সেলের (আইকিউএসি) আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ও রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে  উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তন ২ ফেব্রুয়ারি

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মতিনুর রহমান বলেন, “প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করে বের হচ্ছেন। কিন্তু পরবর্তীতে তারা দেশের শ্রমবাজারে কোথায় কীভাবে যুক্ত হচ্ছেন, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য থাকে না। তাই সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনসহ (পিএসসি) বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইবি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের তথ্য সংগ্রহ করে এই ডাটাবেজ তৈরি করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এমন একটি ডাটাবেজ থাকলে আমরা সহজেই বুঝতে পারব প্রতিবছর চাকরির বাজারে আমাদের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে কি না। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সার্বিক চিত্রও তুলে ধরা সম্ভব হবে।”

আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন

বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, "কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে বর্তমান কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের (ইন্ডাস্ট্রি) সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদার এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণা, ইন্টার্নশিপ ও সরাসরি চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।"