ডিভোর্স আমি দিয়েছিলাম: রবি চৌধুরীর অভিযোগের জবাব ডলি সায়ন্তনীর

Sanchoy Biswas
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:৪৮ অপরাহ্ন, ০৫ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৫:৪৮ অপরাহ্ন, ০৫ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনায় এসেছেন সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। দীর্ঘদিন বিচ্ছেদের পর নীরব থাকলেও সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

একটি পডকাস্টে রবি চৌধুরী অভিযোগ করেন, তার সাবেক স্ত্রী ডলি সায়ন্তনী ‘বিপ্লব’ নামে এক ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, এই সম্পর্কই তাদের দাম্পত্য জীবনের ভাঙনের অন্যতম কারণ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি পরে প্রমাণিত হলে তিনি ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

আরও পড়ুন: মিরপুর ডিওএইচএসে অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

তবে রবির এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন ডলি সায়ন্তনী। বুধবার (৪ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

ফেসবুক পোস্টে ডলি লেখেন, “সম্প্রতি আমাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো বিতর্কে যেতে চাই না। সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।”

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের সায়মা করিম

ডলি আরও বলেন, “আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আমাদের মতো আছি, বাকিটা সময়ের হাতে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলতে চাই— যে ডিভোর্স প্রসঙ্গে নানা কথা বলা হচ্ছে, ডিভোর্স আমি দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম সেটি এ মুহূর্তে আর বলতে চাই না।”

বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, ডিভোর্সের সময়ই তিনি প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছিলেন। তাই বহু বছর পর এ নিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরির সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন এই সংগীতশিল্পী। একই সঙ্গে তিনি মাহে রমজান উপলক্ষে সবার জন্য শান্তি ও পবিত্রতা কামনা করেন।

অন্যদিকে পডকাস্টে রবি চৌধুরী জানান, দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানকালে ‘বিপ্লব’ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়, যিনি তাদের গাড়ি চালাতেন। পরে ডলির সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি করেন তিনি।

রবির ভাষ্য অনুযায়ী, ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সংরক্ষিত ছিল। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তিনি ডলির বড় ভাই বাদশা বুলবুলকে দিয়ে নম্বরটি যাচাই করান। তখন জানা যায়, ওই নামে তাদের কোনো আত্মীয় নেই। এরপরই তিনি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন বলে দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি ধরা পড়ার পর ডলি গণমাধ্যমের কাছে বিপ্লবকে তার ‘ভাগিনা’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। তবে বিচ্ছেদের কয়েক মাস পর ডলি ওই ব্যক্তির বাড়িতে যাওয়ার ঘটনাও সংবাদমাধ্যমে আসে বলে উল্লেখ করেন রবি।

এই ঘটনার মাধ্যমেই তার সন্দেহ সঠিক ছিল বলে মনে করেন রবি চৌধুরী।