দুমকির ভোটকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের চেষ্টা, দুই কিশোরের তৎপরতায় বড় ক্ষতি রক্ষা
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের চেষ্টা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দুর্বৃত্তরা আগুন দিলে দুই কিশোরের সাহসিকতা ও স্থানীয়দের দ্রুত উদ্যোগে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় কেন্দ্রটি।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ৫৪ মিনিটে দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতের এশার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিদ্যালয় ভবনের ভেতরে আগুন জ্বলতে দেখে দুই কিশোর চিৎকার শুরু করে। তাদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং কিশোরদের সঙ্গে মিলেই আগুন নেভাতে সক্ষম হন।
আরও পড়ুন: বরিশালে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে দুই প্রার্থীর লিখিত অভিযোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোটকেন্দ্রটির নিরাপত্তায় দুইজন গ্রাম পুলিশ ও বিদ্যালয়ের একজন নৈশপ্রহরী দায়িত্বে থাকার কথা ছিল। তবে ঘটনার সময় তারা কেউই সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। জানা যায়, আগুন দেওয়ার সময় তিনজনই রাতের খাবার খেতে বাইরে গিয়েছিলেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থার এমন শূন্যতার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
ভোটকেন্দ্রটিতে চারটি সিসিটিভি ক্যামেরা সচল থাকলেও ফুটেজে কোনো দুর্বৃত্তের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। পুলিশ দীর্ঘ সময় ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করেও আগুন লাগানোর দৃশ্য বা সন্দেহভাজন কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি। সিসিটিভির নজর এড়িয়ে কীভাবে এ ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন: উন্নয়ন ও শান্তির স্বার্থে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান মিন্টুর
খবর পেয়ে দুমকি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তারা আলামত সংগ্রহসহ ঘটনার ছবি সংরক্ষণ করেছে।
পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে আপাতত কিছু পাওয়া না গেলেও সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অনুপস্থিতির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





