কুড়িগ্রামে ১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদ ও আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ, ফেরত চাওয়া প্রায় ৯০ কোটি টাকা

Sanchoy Biswas
উলিপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:৫৭ অপরাহ্ন, ০১ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২:০৭ অপরাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সারা দেশের ৯৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ পরিদর্শন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। প্রকাশিত তালিকায় কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছে।

রোববার (১ মার্চ) অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর এম. এম. সহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

আরও পড়ুন: বাউফলে নারী'সহ ৪ মাদক কারবারি আটক; গাঁজা-ইয়াবা উদ্ধার

উলিপুরে ৪ প্রতিষ্ঠান- আপুয়ার খাতা আমিনা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়, গোড়াই পাঁচপীর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, বজরা দারুল উলুম সিনিয়র ফাজিল মাদরাসা এবং বালাচর নাছিরিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা।

নাগেশ্বরীতে ৬ প্রতিষ্ঠান- গাগলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, নন্দনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, নাগেশ্বরী মহিলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়, বেরুবাড়ী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রায়গঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এবং হাসনাবাদ আদর্শ জনতা বিদ্যাবিতান উচ্চ বিদ্যালয়।

আরও পড়ুন: ভোলার দৌলতখানে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

রাজারহাটে ৩ প্রতিষ্ঠান- ডাংরারহাট আজিজিয়া আলিম মাদরাসা, বড়ঘাট গমির উদ্দিন দাখিল মাদরাসা এবং সুখদেব ফাজিল মাদরাসা।

এছাড়াও রৌমারী উপজেলায় যাদুরচর উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম সদরের আমিন উদ্দিন আহমেদ দ্বিমুখী দাখিল মাদরাসা এবং টগরাইহাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।

ডিআইএ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে জাল বা ভুয়া সনদ ব্যবহার, অগ্রহণযোগ্য সনদ, অবৈধ নিয়োগ, অর্থ আত্মসাৎ এবং ভ্যাট-আইটিসহ বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে।

এসব অনিয়মের কারণে প্রায় ৮৯ কোটি ৮২ লাখ ২৫ হাজার ৬০৭ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বেহাত হওয়া ১৭৬ দশমিক ৫২৩ একর জমি উদ্ধারেরও তাগিদ দেওয়া হয়েছে।