ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যা
ঢাকার ধামরাই পৌরশহরে নাহিদা আক্তার নামের এক এস এস সি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহতের মুখমন্ডলে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে । ওইসময় নাহিদার পরনে থাকা স্বর্ণের কানের দোল ও গলার লকেট নিয়ে গেছে। নিহত নাহিদা স্থানীয় সেন্ট্রাল স্কুল থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে এবার এস এস সি পরীক্ষা দিচ্ছিল বলে জানা যায় ।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার(২৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লা-ঢাকা রুটে নন-এসি বাসের ভাড়া বাড়ল ১০ টাকা
নিহত নাহিদা আক্তার তার নানির সাথে ধামরাই পৌরশহরের পশ্চিম লাকুড়িয়াপাড়া মহল্লায় সাব্বির হোসেনের বাসায় ভাড়া থাকে। ঔই ভাড়া বাসায়ই এমন ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদা খান, ওসি তদন্ত শহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্য।
আরও পড়ুন: নাসিরনগরের নারী হত্যা মামলার আসামি মৌলভীবাজার থেকে গ্রেফতার
নিহতের নানী দেলোয়ারা দোলী জানান, নাহিদা আক্তারের বাবা নূর হোসেনের সাথে তার মা লিজা আক্তারের বনিবনা ছিল না। পরে নাহিদার মা লিজা আকতার নাহিদাকে রেখে ১০ বছর আগে সৌদি আরবে চলে যায়। নাহিদাকে নিয়ে তার নানি ওই ৫ম তলার বাসার নিজ তলার ফ্যাটে ২টি রুম নিয়ে ৮ মাস যাবৎ বসবাস করে আসছিল। এরমধ্যে আজ পরীক্ষা দিয়ে বাসায় আসে। পরে বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে নানী দেলোয়ারা দোলী কাজের জন্য বাহিরে যায়। ঘন্টা খানেক পর বাসায় ফিরে রুমের দরজা খোলা দেখে এবং ভিতরে মেঝেতে নাহিদার মুখমন্ডলে আঘাত ও গলাকাটা অবস্থায় রক্তাক্ত নিথর দেহ দেখতে পায়। পরে নাহিদার মামা খোকনসহ অন্যান্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপালের নিয়ে গেলে দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোঘনা করেন। এ হত্যা কান্ডের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে পড়েছে।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) নাজমুল হুদা খান ঘটনাস্থলে গিয়ে বলেন, হত্যা কান্ডের বিষয়ে তদন্ত করে দেখতেছি। কি কারনে এ হত্যা কান্ড সংঘটিত হয়েছে তা তদন্ত করে উদঘাটন করার চেষ্টা করছি। প্রকৃত আসামী কেউই আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না।





