স্বস্তির অপেক্ষায় ভোক্তারা

এলপিজি বিক্রি বন্ধের মধ্যেই ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:২৯ অপরাহ্ন, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৩:২৯ অপরাহ্ন, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

হঠাৎ করে সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। রান্না থেকে শুরু করে হোটেল-রেস্তোরাঁ—সবখানেই দেখা দিয়েছে সংকট। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই এলপিজি আমদানি ও উৎপাদনে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আমদানিকৃত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ এবং স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত এলপিজির ওপর ভ্যাট ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: দেশের একমাত্র তেল শোধনাগারে সীমিত পরিসরে উৎপাদন চলছে

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এই প্রস্তাবিত শুল্ক পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের মূল্য সহনীয় রাখা এবং বাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ভ্যাট হ্রাসের ফলে এলপিজির দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ব্যবসায়ীরা সরবরাহ পুনরায় শুরু না করায় এই সুফল এখনো ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

আরও পড়ুন: দেশের বাজারে আবারও সোনা ও রুপার দাম বাড়ল

উল্লেখ্য, অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। খুচরা দোকানগুলোতে মিলছে না সিলিন্ডার। অনেক বাসাবাড়িতে রান্না বন্ধ হয়ে গেছে, আর হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো বিকল্প জ্বালানিতে কোনোভাবে কার্যক্রম চালিয়ে নিচ্ছে। এতে একপ্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছেন ভোক্তারা।

ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পর দ্রুত এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।